ব্রাহ্মণদের রক্ষা করার ফলে আধ্যাত্মিক জীবন লাভের সবচাইতে বিজ্ঞানসম্মত সংস্কৃতি বর্ণ-আশ্রম ব্যবস্থা রক্ষিত হয়।

গাভীদের রক্ষা করার ফলে অলৌকিক খাদ্য দুধ পাওয়া যায়, যা মনুষ্য জীবনের উচ্চতর উদ্দেশ্য সম্বন্ধে অবগত হওয়ার জন্য মস্তিষ্কের শুষ্ক কোষসমূহ সংরক্ষণ করে।17760112_1926792040888728_8982349756306924172_n

স্ত্রীলোকদের রক্ষা করার ফলে সমাজের পবিত্রতা সংরক্ষিত হয়, যার ফলে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং জীবনের উন্নতি সাধনের জন্য সুসন্তান লাভ হয়।

শিশুদের রক্ষা করার ফলে জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য মনুষ্য জীবনকে যথাযথভাবে প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ সুযোগ প্রদান করা হয়। শিশুদের রক্ষা করার এই ব্যবস্থা শুরু হয় জন্মের প্রারম্ভেই, গর্ভাধান সংস্কারের মাধ্যমে।

বৃদ্ধদের রক্ষা করার ফলে তাদের মৃত্যুর পর শ্রেষ্ঠতর জীবন লাভের সুযোগ দেওয়া হয়।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

এই পূর্ণতর দৃষ্টিভঙ্গি মানবজীবনকে সার্থক করার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। এই সভ্যতাটি কুকুর-বিড়ালের মত জীবনযাপন করার পাশবিক সভ্যতার ঠিক বিপরীত। উপরোক্ত নিরীহ ব্যক্তিদের হত্যা করা সর্বতোভাবে নিষিদ্ধ, এমনকি যদি তাদের অপমানও করা হয়, তাহলেও মানুষের আয়ুক্ষয় হয়। কলিযুগে তাদের 17795946_1926791927555406_1358235918051041975_nযথাযথভাবে রক্ষা করা হয় না, এবং তাই এই যুগে মানুষদের আয়ু ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। শ্রীমদ্ভগবদগীতায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্ত্রীলোকদের যথাযথভাবে রক্ষা করা না হলে সমাজে অবাঞ্ছিত সন্তান উৎপন্ন হয়, যাদের বলা হয় বর্ণ-সংকর। সতী রমনীকে অপমান করার ফলে মানুষের আয়ু বিপন্ন হয়। দুর্যোধনের ভাই দুঃশাসন আদর্শ সতী দ্রৌপদীকে অপমান করেছিল, এবং তার ফলে সেই দুরাত্মাকে অকালে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল। (শ্রীমদ্ভাগবত, ১.৮.৫, তাৎপর্য)

Advertisements