শ্রীবাস পণ্ডিত (শ্রীবাস ঠাকুর)

  • শ্রীবাস পণ্ডিত (শ্রীবাস ঠাকুর) শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর মুখ্য বিস্তার ও শক্তি – পঞ্চতত্ত্বের অন্যতম একজন সদস্য।
  • তিনি শ্রীনারদ মুনির অবতার।
  • তিনি শ্রীহট্টে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং শ্রীবাস, শ্রীনিধি, শ্রীরাম নামে তাঁর তিন ভাই ছিল।

srivas pandit

  •  মহাপ্রভু এবং তাঁর সহযোগীগণ প্রতি রজনীতে শ্রীবাস ঠাকুরের গৃহে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দিব্যনাম কীর্তন করতেন এবং তাঁরা শ্রীঅদ্বৈত আচার্যের গৃহে প্রতিদিন শ্রীমদ্ভাগবত শ্রবণ এবং নাম-সংকীর্তন করতে যেতেন।
  •  তিনি তাঁর পরিবার-পরিজনদের ভরণপোষণের জন্য কোনোরূপ প্রচেষ্টা করেন নি। কারণ, তিনি সর্বতোভাবে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এবং তাঁর উদ্দেশ্য পরিপূরণে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন; তাই ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর সমস্ত প্রয়োজনীয় বস্তুর যোগান দিয়েছিলেন।
  • শ্রীবাস ঠাকুর এবং তাঁর সহধর্মিনী শ্রীমতী মালতী দেবী উভয়েই শ্রীজগন্নাথ মিশ্র-শচী মাতার মিত্র ছিলেন। এবং তাঁরা শ্রীমন্মহাপ্রভুকে সন্তানসুলভ স্নেহ করতেন এবং মহাপ্রভুও তাঁদের দ্বিতীয় বাবা-মা হিসেবে শ্রদ্ধা করতেন।
  • চাঁদ কাজীর বাড়ির উদ্দেশ্যে প্রথম নগর-সংকীর্তনটি শ্রীবাস ঠাকুরের গৃহ থেকে শুরু হয়।
  • যদি কেউ শ্রীবাস ঠাকুরকে প্রীত করতে পারেন, তাহলে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এবং শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু অতি সহজেই প্রীত হবেন।
  • শ্রীপঞ্চতত্ত্ব-মন্ত্রে শ্রীবাস ঠাকুরের নাম উল্লিখিত হয়েছে যেটি মহাপ্রভুর ভক্তগণ প্রতিদিন কীর্তন করেন।
  • “শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌরভক্তবৃন্দ।।”
  • “আমি ভগবান শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য, শ্রীনিত্যানন্দ, শ্রীঅদ্বৈত, শ্রীগদাধর, শ্রীবাস এবং সমস্ত গৌরভক্তবৃন্দের চরণে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।”
Advertisements