.
১. “বৈষ্ণবানাং যথা শম্ভুঃ” – বৈষ্ণবদের মধ্যে শিবই শ্রেষ্ঠতম। (শ্রীমদ্ভাগবত, ১২.১৩.১৬)
২. শিব দ্বাদশ মহাজনের মধ্যে অন্যতম, যাঁদেরকে বৈষ্ণব দর্শনের যথার্থ কর্তৃপক্ষ বলা হয়। (শ্রীমদ্ভাগবত,৬.৩.২০)
৩. ভগবান শিব বললেন, “যদিও পরমেশ্বর ভগবানকে (শ্রীকৃষ্ণ) ভক্তি করা এবং তাঁর আরাধনা করা অত্যন্ত কঠিন, তবুও কেউ যদি আমার দ্বারা রচিত ও গীত এই রুদ্র স্ত্রোত্র কেবল পাঠ করেন, তা হলে তিনি অনায়াসে পরমেশ্বর ভগবানের কৃপা লাভ করতে পারেন।” (শ্রীমদ্ভাগবত,৪.২৪.৭৬)
shiva-in-meditation-pg05_l
৪. শ্রীশিব বললেন, “যে ব্যক্তি জড়া প্রকৃতি ও জীব আদি সবকিছুর নিয়ন্তা পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শরণাগত, তিনি আমার অত্যন্ত প্রিয়।” (শ্রীমদ্ভাগবত,৪.২৪.২৮)
৫. শ্রীশিব বললেন, “মানুষ শত জন্ম ধরে যথাযথভাবে স্বধর্ম আচরণ করার ফলে, ব্রহ্মপদ প্রাপ্ত হওয়ার যোগ্য হন, এবং তিনি যদি তার থেকেও অধিক যোগ্যতা অর্জন করেন, তাহলে তিনি আমাকে লাভ করতে পারেন। কিন্তু যেই ব্যক্তি অনন্য ভক্তি সহকারে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বা শ্রীবিষ্ণুর শরণাগত হন, তিনি অচিরেই চিৎ-জগতে উন্নীত হন। আমি ও অন্যান্য দেবতারা এই জড় জগতের বিনাশের পর সেই লোক প্রাপ্ত হই।” (শ্রীমদ্ভাগবত,৪.২৪.২৯)
৬. বৃন্দাবনে গোপেশ্বর শিবের মন্দির রয়েছে। গোপীরা কেবল শিবেরই পূজা করতেন না, তাঁরা কাত্যায়নীদেবী বা দূর্গাদেবীরও পূজা করতেন। কিন্তু তাঁদের লক্ষ্য ছিল শ্রীকৃষ্ণের কৃপা প্রাপ্ত হওয়া। (শ্রীমদ্ভাগবত,৪.২৪.৩০, তাৎপর্য)
৭. শ্রীশিব বললেন, “ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভক্তরা আমাকে শ্রদ্ধা করেন এবং আমি তাঁদের অত্যন্ত প্রিয়। তাই ভক্তদের কাছে আমার মতো প্রিয় আর কেউ নয়।” (শ্রীমদ্ভাগবত,৪.২৪.৩০)
16807018_1220316441396921_7985010239242762967_n
৮. শ্রীশিব দেবী পার্বতীকে বললেন, “হে সাধ্বী ভবানী, কেউ যখন পরোপকার করে, তখন ভগবান শ্রীহরি অত্যন্ত প্রসন্ন হন, এবং ভগবান যখন প্রসন্ন হন, তখন আমিও অন্যান্য সমস্ত প্রাণী সহ প্রসন্ন হই।” (শ্রীমদ্ভাগবত,৮.৭.৪০)
৯. পদ্মপুরাণে শিবজী তাঁর সতীকে বললেন, “রাম রামেতি রামেতি রাম রামেতি রামেতি সহস্র নামাভীষ তুল্যং রামনাম বর্ণনে।” অর্থাৎ, “আমি পবিত্র নাম রাম, রাম, রাম জপ করি এবং এই মধুর শব্দটিকে উপভোগ করি। শ্রীরামচন্দ্রের এই পবিত্র নাম শ্রীবিষ্ণুর সহস্রনামের সমান।”
 
 
জয় বৈষ্ণব শিরোমণি শিবজী কি? -জয়।
Advertisements