“যে মানুষ মনোযোগ সহকারে ভগবানের রহস্যপূর্ণ প্রকট অর্থাৎ অবতরণের কথা সকাল এবং সন্ধায় ভক্তিপূর্বক পাঠ করেন, তিনি জড় জগতের সমস্ত দুঃখ-দুর্দশা থেকে মুক্ত হন।” (শ্রীমদ্ভাগবত, ১.৩.২৯)

krishna-and-balaram.jpg

ভগবদগীতায় ভগবান ঘোষণা করেছেন যে, কেউ যদি তত্ত্বগতভাবে ভগবানের জন্ম এবং কর্ম সম্বন্ধে অবগত হয়, তাহলে সে দেহত্যাগের পর জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে ভগবদ্ধামে ফিরে যেতে পারে। তাই কেবল পরমেশ্বর ভগবানের রহস্যাবৃত অবতরণের কথা তত্ত্বত জানতে পারলে জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া যায়। তাই জগজ্জীবের মঙ্গলের জন্য ভগবান যে তাঁর জন্ম এবং কর্ম এই জগতে প্রকাশ করেন তা সাধারণ নয়। তা রহস্যজনক, এবং যাঁরা ভক্তি সহকারে অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে তার গভীরে প্রবেশ করেন, তাঁদের কাছেই কেবল এই রহস্য উদ্ঘাটিত হয়। এইভাবে জীব জড় বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারে। সেই জন্যই ভগবানের আবির্ভাব এবং বিভিন্ন অবতরণের কথা বর্ণিত হয়েছে এবং কেউ যদি কেবল ঐকান্তিক ভক্তি সহকারে তা পাঠ করেন, তাহলে তিনি ভগবানের দিব্য জন্ম এবং কর্ম সম্বন্ধে অন্তর্দৃষ্টি লাভ করতে পারেন।

হরিবোল!

Advertisements